বুধবার, ০৬ Jul ২০২২, ০১:৩৭ অপরাহ্ন

সিলেটে বিএনপি নেতা লাঞ্চিত, স্বেচ্ছাসেবক দলে বহিষ্কারের গুঞ্জন

সিলেটে বিএনপি নেতা লাঞ্চিত, স্বেচ্ছাসেবক দলে বহিষ্কারের গুঞ্জন

sylhetlive24.com/সিলেট লাইভ


নিজস্ব প্রতিবেদক

সিলেটে গেলো রমজানে মহানগর বিএনপির ইফতার আয়োজনের অতিথি করা নিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক পক্ষের হাতে নির্যাতিত ও লাঞ্ছিত হন সিলেট মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। ওই দিন তাকে ডিম নিক্ষেপ, টেনে হিঁচড়ে বাইরে বের করে মারধর করে হামলাকারীরা।

সিলেট বিএনপির শীর্ষ এ নেতাকে মারধর ও লাঞ্ছিতের ঘটনায় সিলেটজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। তৃণমূলসহ বিভিন্ন স্থরের নেতারা এর বিচার দাবি করেন। তাছাড়া প্রশ্ন ওঠে দলের চেইন অব কমান্ড নিয়ে।

এদিকে এ ঘটানায় বিএনপি ও কেন্দ্রীয় বিএনপি কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আভাস দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে যে কোন সময় স্বেচ্ছাসেবকদলের একাধিক শীর্ষ নেতাকে বহিস্কার করা হতে পারে বলে সিলেট বিএনপিতে গুঞ্জন উঠেছে।

উল্লেখ্য, ২৭ মার্চ রাতে নগরীর ভাতালিয়াস্থ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল কাইয়ূম জালালি পংকির বাসায় সভা চলাকালে আম্বরখানা, এবং চৌখিদেখি এলাকা থেকে আসা স্বেচ্ছাসেবক দলের একদল নেতাকর্মী সভাকক্ষে এমদাদ হোসেন চৌধুরীকে লক্ষ্য করে ডিম নিক্ষেপ করে এবং তাকে টেনেহিঁচড়ে বাইরের একটি ঘরের এনে মারধরও করা হয়। এতে এমদাদ চৌধুরী আহত হন।

মারধরের পর রাতেই এমদাদ হোসেন চৌধুরীর বাসায় ছুটে যান হামলাকারীদের নেতা খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। সঙ্গে ছিলেন সিলেটে অবস্থানরত কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা। তারা গিয়ে এমদাদ হোসেন চৌধুরীকে সান্তনা দেন।

যদিও মহানগর বিএনপির ইফতার মাহফিলে অতিথি করা নিয়ে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দানা বাঁধে। লন্ডন থেকে নির্দেশনা আসে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকুকে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি করতে। কিন্তু একটি পক্ষ বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরকে অতিথি করতে মরিয়া হয়ে ওঠে।

দলীয় সূত্র আরও জানায়, স্থায়ী কমিটির সদস্য সাবেক মন্ত্রী ইকবাল মাহমুদ টুকুকে ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথি করা হলে খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের অবস্থান প্রটোকলে নিচে নেমে যাবে। যে কারণে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধাচারণ করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরহাদ চৌধুরী শামীম, স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক কামাল হাসান জুয়েল, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল ওয়াহিদ সোহেল ও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আব্দুল আহাদ খান জামালসহ তাদের বলয়ের নেতাকর্মীরা।

এ সময় তাদের মতের বিরোধিতা করেন মহানগর বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক এমদাদ হোসেন চৌধুরী। এ কারণেই সভাকক্ষে এমদাদ হোসেন চৌধুরীকে ডিম নিক্ষেপ ও মারধর করা হয়।

দলীয় সূত্রমতে, ওপর মহলের নির্দেশে এমদাদ হোসেন চৌধুরীর উপর হামলার ঘটনার সঙ্গে জড়িত এবং ইন্দনদাতা স্বেচ্ছাসেবক দলের বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর অংশ হিসেবে তাদেরকে প্রাথমিকভাবে দলে থেকে বহিষ্কারেরও সিদ্ধান্ত আসতে পারে। যদিও হামলাকারীদের রক্ষা করতে তাদের পৃষ্টপোষক নেতারা নানা কৌশল অবলম্বন করে মধ্যম সারির কিছু নেতাকে বলির পাঠা বানিয়ে বহিষ্কার করতে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।






© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব SylhetLive24.Com কর্তৃক সংরক্ষিত ।

Design BY Web Nest BD
ThemesBazar-Jowfhowo