শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন

সরকারি নির্দেশনা :
করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে মাস্ক পরুন, নিরাপদ থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিজে বাঁচুন এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন। সৌজন্যে : SylhetLive24.com
আজকের গুরুত্বপূর্ণ যত খবর
জকিগঞ্জে চলছে মাইকিং : ঢুকছে পানি, ভাঙলো ৩ নদীর মোহনার ডাইক মাধবপুরে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর গালে ছ্যাঁকা! ছাত্রদল নেতা রুবেল ও রাসেলের জামিন লাভ, কারা ফটকে সংবর্ধনা বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু শিশু অধিকার বাস্তবায়ন সম্পর্কিত জবাবদিহিতা বিষয়ক সংলাপ সিলেটে বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করলেন জেবুল সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে : ডা. শিপলু জগন্নাথপুরে মসজিদ নির্মাণের নামে সরকারি স্কুলের জমি দখল সিলেট সদর উপজেলা যুবদল থেকে ডালিম বহিস্কার সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত বিশ্বনাথে ধর্ষকের হুমকি, অসহায় মা-মেয়ে উপশহরে পানিবন্দি মানুষের পাশে দিদার রুবেল অ্যাড. জামানের মায়ের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সিলেটে বন্যার্তদের পাশে মহানগর আ. লীগের সহ সভাপতি আসাদ উদ্দিন সিলেট নগরী রক্ষার্থে ‘শহর রক্ষা বাঁধ’ নির্মাণ প্রয়োজন : মহানগর বিএনপি সিলেটের বানভাসী মানুষদের পর্যাপ্ত ত্রাণ দেওয়ার দাবি বাসদের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রুবি আলমের উদ্যোগে খাদ্য বিতরণ সিলেটে জামায়াত-শিবিরের ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা ছাত্রদল নেতা রুবেল ও রাসেলের গ্রেফতারে কয়েছ লোদীর নিন্দা দেশের মানুষ সরকারের পাশে, ষড়যন্ত্রকারীদের স্বপ্ন কোনোদিন পূরণ হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
‘পেশাহীন’ নুর উদ্দিনের মামলার মারপ্যাঁচে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

‘পেশাহীন’ নুর উদ্দিনের মামলার মারপ্যাঁচে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

sylhetlive24.com
ফাইল ছবি- নুর উদ্দিন


সিলেট লাইভ ডেস্ক :: অর্থের বিনিময়ে বাদি হওয়া। অপকৌশলে মামলা দিয়ে প্রতিপক্ষকে হয়রানী। অত:পর বড় অংকের টাকায় আপোষ মিমাংসা। এক জনের কাছ থেকে টাকা নিয়ে অন্যজনকে মামলায় ফাঁসানো। এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠেছে সিলেট সদর উপজেলার বড়ফৌদ গ্রামের মৃত শুকুর উল্লার ছেলে নুর উদ্দিনের বিরুদ্ধে। যে কারণে এলাকার লোকজনও তাকে ভয় পান। মামলায় মারপ্যাঁচে হয়রানীর ভয়ে তটস্থ এলাকার লোকজনও অতিষ্ঠ।

‘পেশাহীন’ নুর উদ্দিন মামলার ফাঁদে ফেলেছেন-এমন অভিযোগ এনে পুলিশের উপর মহলে অভিযোগ দায়ের করেছেন একই গ্রামের ফয়জুল হক। এসব অভিযোগ তদন্তাধীন।

এবার নিজের ছেলেকে আত্মগোপন করে কথিত অপহরণ মামলায় আসামি করার অভিযোগ ওঠেছে তার বিরুদ্ধে। সেই মামলায় আসামি আরেক অপহরণ মামলার ভিকটিম কলেজ ছাত্র একই গ্রামের ফয়জুল হকের ছেলে নজির আহমদ মোজাহিদ। মোজাহিদকে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টাকারীদের পক্ষ নিয়ে নুর উদ্দিন এই মামলা দায়ের করেন বলে জনশ্রুতি ও অভিযোগ রয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, এমসি কলেজের বিএসএস পাসকোর্সে পড়ুয়া নজির আহমদ মোজাহিদের মামলা থেকে মুহিবুর রহমান গংদের রক্ষায় আদাজল খেয়ে উঠে পড়ে লেগেছেন নুর উদ্দিন। তার দায়ের করা মামলায় আগের মামলার ভিকটিম (পূর্বে অপহৃত) মোজাহিদ ছাড়াও তার সহোদর মামলার বাদি বশির আহমদ, ওই মামলার সাক্ষি আব্দুর রাজ্জাক, শুভাকাঙ্খি কবির আহমদ শমসাদ, বুরহান উদ্দিন, মুসলেহ উদ্দিনকে আসামি করা হয়। যে মামলায় ইতোমধ্যে জেল খেটেছেন কলেজ ছাত্র মোজাহিদ।

স্থানীয়রা আরো জানান, মোজাহিদের অপহরণকারীদের কাছ থেকে বড় অংকের টাকা নিয়ে নুর উদ্দিন নিজের ছেলেকে আত্মীয়ের বাড়িতে লুকিয়ে অপহরণ মামলা দায়ের করেন। সেই মামলায় মোজাহিদ, তার ভাই (মামলার বাদি), প্রতিবেশীদের আসামি করেন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরআগেও নুর উদ্দিন এলাকার অসংখ্য মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের করেছেন। এসব মামলাগুলোর প্রতিটি ঘটনাই সাজানো। দু’পক্ষের বিরোধ দেখা দিলেই সেখানে হাজির নুর উদ্দিন। চুক্তিতে এক পক্ষের হয়ে মামলা দায়ের করে বসেন তিনি। পরবর্তীতে তার অপকৌশল থেকে বাঁচতে বড় অংকের টাকা গুনতে হয় প্রতিপক্ষকে। যেমনটি হয়েছে কলেজ ছাত্র মোজাহিদের বেলায়।

অভিযো্গ রয়েছে, প্রতিপক্ষের সঙ্গে ৫ লাখ টাকা চুক্তিতে এককালীন আগাম ৫০ হাজার টাকা নিয়ে কথিত অপহরণ মামলা (নং-২১(০১)’২১) দায়ের করেছেন তিনি। ওই মামলার সাক্ষি দেখিয়েছেন মোজাহিদকে অপহরণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ৪নং আসামি রফিকুল ইসলাম মড়লকে। ১নং আসামি বড়ফৌদ গ্রামের মুহিবুর রহমান ও ২নং আসামি আনিছুর রহমান বাদি নুর উদ্দিনের চাচাতো ভাই।৩ নং আসামি সোবহান মিয়া ও ৫নং আসামি আব্দুল খালিক নুর উদ্দিনের চাচা। ৬নং আসামি আব্দুর রহিম বাবু নুর ‍উদ্দিনের মামলার সাক্ষি দেলোয়ার হোসেনের চাচাতো ভাই। মামলার আরেক আসামি ইছমত আলীর ভাই ইছমাইলকেও নুর উদ্দিন তার মামলায় সাক্ষি করেছেন।

প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে কথিত অপহরণ মামলায় আগের মামলার বাদি, ভিকটিম ও সাক্ষিদের নুর উদ্দিন তার মামলায় আসামি দেখিয়েছেন।মূলত; আগের অপহরণের ঘটনাকে চাপা দিতে প্রতিপক্ষের লোকজন নুর উদ্দিনকে দিয়ে মামলাটি করিয়েছেন।

জানা গেছে, নুর উদ্দিন এরআগেও অসংখ্য মামলা দায়ের করেছেন। জমিজমা নিয়ে দায়ের করা সেসব মামলা আপোষে নিস্পত্তিরও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে। তার দায়ের করা জালালাবাদ থানার নন জিআর মামলা ১৭/২০১৮। ওই মামলার বিবাদী খালেদ আহমদ গং। নন জিআর ১৫/২০১৮ মামলার বিবাদি ছাদিকুর রহমান গং। জালালাবাদ সিআর ১২৮/১৮ মামলার বিবাদি বুরহান উদ্দিন গং একই গ্রামের বাসিন্দা। এছাড়া নুর উদ্দিন ইউপি সদস্য পদে প্রার্থীতা ঘোষণা করে অর্থের বিনিময়ে আপোষ করে রনেভঙ্গ দেওয়ার অভিযোগ করেন এলাকাবাসী। নিজেকে বিত্তবান দাবি করলেও দুস্থ অসহায় সেজে সরকারি বরাদ্দকৃত ঘর নিয়েছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উমাইরগাওয়ের শফিক উদ্দিন, ফকিরের গাওয়ের সাজ্জাদুর রহমানকে তাদের রেকডিও জমি মামলার মাধ্যমে উদ্ধার করে দেওয়ার কথা বলে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে এলাকার বিচার সালিশও হয়েছে।

অবশ্য এসব বিষয়ে দ্বিমত পোষণ করে নুর উদ্দিন বলেন, মোজাহিদ অপহরণ হয়েছিল কিনা সেটা আমার জানার নয়। আমার মামলা মিথ্যে নয়। কোনো বাবা তার ছেলেকে অপহরণ করবে! এটাকি বিশ্বাসযোগ্য। ছেলেকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে মোজাহিদ ও মুসলেহ অপহরণ করেছিল। ওই ঘটনায় মামলা দায়ের করেছি। এ ঘটনায় মোজাহিদকে রিমাণ্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করায় ছেলেকে ফিরে পেয়েছি। তাছাড়া জমিজমার মামলার বিষয়ে তিনি বলেন, সেসব জমিজমা নিয়ে মামলা করেছি, সেগুলো বাপ-দাদার মৌরসী। ৩০ ও ৩১ ধারায় সেসব মামলার রায়ও পেয়েছি।






© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব SylhetLive24.Com কর্তৃক সংরক্ষিত ।

Design BY Web-NEST- BD
ThemesBazar-Jowfhowo