সোমবার, ১৬ মে ২০২২, ০৫:৫৯ অপরাহ্ন

এসএমপি’র কঠোর পদক্ষেপ, নগরীর মোড়ে মোড়ে বাঁশের ব্যারিকেড

এসএমপি’র কঠোর পদক্ষেপ, নগরীর মোড়ে মোড়ে বাঁশের ব্যারিকেড

sylhetlive24.com


নিজস্ব প্রতিবেদক :: সিলেটে লকডাউন মানাতে প্রতিদিন চলছে প্রশাসনের অভিযান। নগরীর পয়েন্টে পয়েন্টে যানবাহন ও পথচারিদের আটক করে অর্থদণ্ডও করা হচ্ছে। কিন্তু প্রশাসনের কঠোর পদক্ষেপেও রুখা যাচ্ছে না মানুষের অহেতুক চলাফেরা। এমতাবস্থায় কঠোর অবস্থান নিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। নগরীর মোড়ে মোড়ে বাঁশ ফেলে যানবাহন ও মানুষের চলাচল নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছে পুলিশ। এছাড়াও নগরীর বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। বাড়ানো হয়েছে পুলিশের টহল।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে সিলেট নগরীর আম্বরখানা, টিলাগড়, সোবহানীঘাট, বন্দরবাজার, রিকাবীবাজার, আম্বরখানা, মদিনা মার্কেট, তেমুখী, টুকেরবাজার, মজুমদাড়ি এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন ও মানুষ চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে সড়কের মোড়ে বাঁশ ফেলে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে যারা বাইরে বের হওয়ার যৌক্তিক কারণ বা মুভমেন্ট পাস দেখাতে পারছেন তাদেরকে যেতে দেওয়া হচ্ছে। অন্যথায় ফেরত পাঠানো হচ্ছে। এমনকি যারা নিয়ম মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হচ্ছে। জরিমানাও আদায় করা হচ্ছে। অনেক সময় যানবাহন জব্দ করছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, সিলেট নগরীতে লকডাউন শুরুর দিন থেকে মোট ১৯১টি মামলা হয়েছে। পাশাপাশি ২৩৩টি যানবাহন জব্দ করা হয়েছে। সিলেট মহানগরের প্রবেশমুখে ২৪ ঘণ্টার জন্য ট্রাফিক বিভাগের ছয়টি চেকপোস্ট এবং নগরের ভেতরে আরও ১৪টি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

তবে বাঁশের ব্যারিকেড, মামলা, জরিমানা আর চেকপোস্ট বসালেও ঘর থেকে মানুষের বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। মূল সড়ক বন্ধ থাকলেও অন্য সড়ক দিয়ে মানুষ চলাচল করছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত মানুষের চলাচল কিছুটা কম থাকলেও দুপুরের পর থেকে তা বাড়তে থাকে। বিশেষ করে সিলেট নগরীর আম্বরখানা এলাকায় মানুষের চলাচল সবচেয়ে বেশি।

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ কমিশনার (ট্রাফিক) জ্যোতির্ময় সরকার করে বলেন, গত বুধবার (১৪ এপ্রিল) লকডাউনের শুরু থেকেই দেখা গেছে অনেকেই বিভিন্ন অজুহাতে বাসাবাড়ি থেকে বের হচ্ছেন। লকডাউন মানার ব্যাপারে মানুষের মধ্যে প্রবণতা কম। এ কারণে সোমবার দুপুর থেকে লকডাউন কার্যকর করতে সিলেটের ছয়টি প্রবেশদ্বার ও নগরীর আটটি পয়েন্টে বাঁশের ব্যারিকেড দেওয়া হয়েছে। যারা নানা অজুহাতে বের হচ্ছেন তাদের আটকানো হচ্ছে। একান্ত জরুরি প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে অন্যদের যানবাহন আটকানো হচ্ছে। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে সচেষ্ট রয়েছে পুলিশ। প্রতিটি বেড়ার সামনেই পুলিশের তল্লাশি চৌকি বসানো হয়েছে। মুভমেন্ট পাসে অনুমোদিত গাড়িগুলো ও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যথাযথভাবে যারা প্রমাণ দিতে পারছেন না তাদের গাড়িগুলোকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্যাহ তাহের বলেন, মূল সড়ক ব্যারিকেড দিয়ে আটকানো থাকলেও ফাঁড়ি পথ ব্যবহার করছে বেশির ভাগ মানুষ। লকডাউন বাস্তবায়ন করতে আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করে যাচ্ছি। সরকারি বিধিনিষেধ যারা মানছেন না তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।






© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব SylhetLive24.Com কর্তৃক সংরক্ষিত ।

Design BY Web-NEST- BD
ThemesBazar-Jowfhowo