শুক্রবার, ২০ মে ২০২২, ০৭:২১ পূর্বাহ্ন

সরকারি নির্দেশনা :
করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধে মাস্ক পরুন, নিরাপদ থাকুন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলুন। নিজে বাঁচুন এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন। সৌজন্যে : SylhetLive24.com
আজকের গুরুত্বপূর্ণ যত খবর
জকিগঞ্জে চলছে মাইকিং : ঢুকছে পানি, ভাঙলো ৩ নদীর মোহনার ডাইক মাধবপুরে যৌতুক না পেয়ে স্ত্রীর গালে ছ্যাঁকা! ছাত্রদল নেতা রুবেল ও রাসেলের জামিন লাভ, কারা ফটকে সংবর্ধনা বজ্রপাতে তিন শিশুর মৃত্যু শিশু অধিকার বাস্তবায়ন সম্পর্কিত জবাবদিহিতা বিষয়ক সংলাপ সিলেটে বন্যার্তদের মধ্যে শুকনো খাবার বিতরণ করলেন জেবুল সরকারের পাশাপাশি ব্যক্তি উদ্যোগে বন্যার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে : ডা. শিপলু জগন্নাথপুরে মসজিদ নির্মাণের নামে সরকারি স্কুলের জমি দখল সিলেট সদর উপজেলা যুবদল থেকে ডালিম বহিস্কার সিলেটে প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত বিশ্বনাথে ধর্ষকের হুমকি, অসহায় মা-মেয়ে উপশহরে পানিবন্দি মানুষের পাশে দিদার রুবেল অ্যাড. জামানের মায়ের সুস্থতা কামনায় দোয়া মাহফিল সিলেটে বন্যার্তদের পাশে মহানগর আ. লীগের সহ সভাপতি আসাদ উদ্দিন সিলেট নগরী রক্ষার্থে ‘শহর রক্ষা বাঁধ’ নির্মাণ প্রয়োজন : মহানগর বিএনপি সিলেটের বানভাসী মানুষদের পর্যাপ্ত ত্রাণ দেওয়ার দাবি বাসদের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী রুবি আলমের উদ্যোগে খাদ্য বিতরণ সিলেটে জামায়াত-শিবিরের ২১ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশ অ্যাসল্ট মামলা ছাত্রদল নেতা রুবেল ও রাসেলের গ্রেফতারে কয়েছ লোদীর নিন্দা দেশের মানুষ সরকারের পাশে, ষড়যন্ত্রকারীদের স্বপ্ন কোনোদিন পূরণ হবে না : পররাষ্ট্রমন্ত্রী
আজ গণহত্যা দিবস

আজ গণহত্যা দিবস

sylhetlive24.com


সিলেট লাইভ ডেস্ক :: আজ ঐতিহাসিক ২৫শে মার্চ। মহান মুক্তিযুদ্ধের শোকস্মৃতিবাহী গণহত্যা আর নিষ্ঠুর ধ্বংসযজ্ঞের ‘কালরাত’। জাতীয় ‘গণহত্যা দিবস’। জাতি গভীর বেদনায় প্রতিবছর স্মরণ করে ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর কাপুরুষোচিত হামলার শিকার নিরীহ শহীদ আর প্রতিরোধসংগ্রামে আত্মদানকারী বীর যোদ্ধাদের। বৃহস্পতিবার রাত ৯টা থেকে ৯টা ১ মিনিট পর্যন্ত সারা দেশে প্রতীকী ‘ব্ল্যাক আউট’ পালন করা হবে। তবে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) ও জরুরি স্থাপনাগুলো এই কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে।

আজকের রাতে কোনো সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবন ও স্থাপনায় কোনো আলোকসজ্জা করা যাবে না। তবে ২৬ মার্চ সন্ধ্যা থেকে আলোকসজ্জা করা যাবে। ২৫শে মার্চ গণহত্যা দিবসের জাতীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরকার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি গত বছরের মতো এ বছরও করোনাভাইরাস সংক্রমণ এড়াতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে ২৫শে মার্চ গণহত্যার কালরাত্রির আলোর মিছিলসহ সব কার্যক্রম স্থগিত করেছে।

তবে আজ সন্ধ্যা ৭টায় স্বাধীনতা ও গণহত্যার ৫০তম বার্ষিকী উপলক্ষে নির্মূল কমিটির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ৫০টি মোমবাতি প্রজ্বালন ও সংক্ষিপ্ত আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হবে।

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর জাতীয় গণহত্যা দিবস ও বাংলাদেশে গণহত্যার ৫০ বছর স্মরণে বিশেষ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে। সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিটে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের শিখা চিরন্তন ঘিরে এবং ‘জল্লাদখানা স্মৃতিপীঠে’ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের কর্মী, সুহূদ ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা মোমবাতি প্রজ্বালনের মাধ্যমে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।

বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে আজ রাতে নিষ্প্রদীপ দিবস পালন করা হবে। অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও সংগঠন দিবসটি পালনে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানোর জন্য, গণহত্যাকারী ও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত সম্পন্নকরণ এবং শহীদদের আত্মদানের চেতনায় নিজেদের বোধ শাণিত করার জন্য শহীদ জননী জাহানারা ইমাম ২৫শে মার্চ সূচনা করেছিলেন গণহত্যার কালরাত্রি পালন কর্মসূচি। গত ২৯ বছর ধরে একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটি ২৫ মার্চ রাতে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে সমবেত হয়ে মোমবাতি হাতে আলোর মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের বধ্যভূমিতে গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আসছিল।

আর ২০১৭ সাল থেকে আজকের দিনটিকে জাতীয় ‘গণহত্যা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

৫০ বছর আগে ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাত সাড়ে ১১টার দিকে পাকিস্তানি জল্লাদ বাহিনী দানবীয় নিষ্ঠুরতায় ঝাঁপিয়ে পড়ে স্বাধীনতাকামী নিরস্ত্র বাঙালির ওপর। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ নাম দিয়ে পাকিস্তানি সেনারা হামলে পড়ে পুরান ঢাকা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিক্যাল কলেজ ও সংলগ্ন এলাকা, রাজারবাগ পুলিশ লাইন, পিলখানা ইপিআর (পরে বিডিআর, বর্তমানে বিজিবি) হেডকোয়ার্টার ও আশপাশের এলাকায়।

পৃথিবীর ইতিহাসে বর্বর গণহত্যার নজির স্থাপন করে হানাদার পাকিস্তানি সেনাবাহিনী। ওই রাতে পাকিস্তানি সেনাদের হাতে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে যান, যার প্রেক্ষাপটে ২৬শে মার্চ স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার প্রত্যয়ে দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিরোধযুদ্ধ। এরপর রাজনৈতিক কর্মী, বাঙালি সেনা আর সাধারণ মানুষের সম্মিলিত স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ, বিপুল প্রাণহানি আর ধ্বংসযজ্ঞের পর ১৬ ডিসেম্বর উদিত হয় স্বাধীনতার সূর্য।






© এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ণ বেআইনি। সর্বস্বত্ব SylhetLive24.Com কর্তৃক সংরক্ষিত ।

Design BY Web-NEST- BD
ThemesBazar-Jowfhowo